বৃহঃস্পতিবার, ২৩শে এপ্রিল ২০২৬, ১০ই বৈশাখ ১৪৩৩ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল dailyvobnews@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • তেলের নতুন দাম আজ: এপ্রিলে সংকটের ভয় নেই, ডিজেলের বড় মজুদের সুখবর দিল মন্ত্রণালয়
  • গুম হওয়া ব্যক্তিদের ‘জুলাইযোদ্ধা’ স্বীকৃতির দাবি: সংসদে প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করলেন তাহসিনা রুশদীর লুনা
  • তেলের বাজারে অস্থিরতা: সাশ্রয় করতে 'হোম অফিস' ও স্কুল-কলেজে অনলাইন ক্লাসের কথা ভাবছে সরকার
  • সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলে অভিযোগের পরই সরে দাঁড়ালেন বিচারপতি রেজাউল হাসান
  • ‘শুভঙ্করের ফাঁকি’ আর নয়, নতুন পে স্কেলের দাবিতে উত্তাল হচ্ছে সরকারি কর্মচারীরা
  • এবার বেতন পাবেন খেলোয়াড়রা: ১২৯ ক্রীড়াবিদকে কার্ড দিলেন প্রধানমন্ত্রী, লক্ষ্য ৫০০ জনের কর্মসংস্থান
  • এক নজরে সংসদীয় বিশেষ কমিটির বৈঠক
  • তেলের দাম বাড়বে না, তবে পাচার করলেই কঠোর ব্যবস্থা
  • সংসদ অধিবেশনে নাহিদ ইসলামের হুঙ্কার: জুলাই সনদের ভিত্তিতেই এ সংসদ, গণভোটের রায় অমান্য করা যাবে না
  • ফুরিয়ে আসছে পেট্রোল, বাড়ছে অস্থিরতা: মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধ নিয়ে অস্ট্রেলিয়ার বিশেষজ্ঞের ভয়াবহ পূর্বাভাস

কবিতা

বাবাকে নিবেদিত চারটি কবিতা

মাঈন উদ্দিন আহমেদ , কবি ও কথাশিল্পী

প্রকাশিত:
২০ জুন ২০২৩, ১২:৪৯



আব্বার পিঠ

বিছানা করে মশারি টানিয়ে রেখেছেন মা।
আমি এখন যেখানটায় শুয়ে আছি,
সেখানে এককালে আব্বা শুতেন।
তাঁর ডানদিকে আমি শুতাম।
বিদ্যুৎ না থাকলে সুপারির খোলে বাতাস করতেন,
মাথায় হাত বোলাতেন, পিঠ চুলকে দিতেন।
আমিও তো আব্বার পিঠ চুলকেছি কত!

এখন শতবার এপাশ-ওপাশ হলেও—
আবাদি জমির মতন আব্বার পিঠ আর খুঁজে পাই না!

****

তবুও আব্বা আছেন


আব্বা একসময় থাকবেন না—
যেমন থাকে না কেউই!
এটা ভেবে খুব ভয় পেতাম।
শীতের রাতের মতো অবশ হয়ে যেত দেহ।

আব্বা এখন আর নেই!
নাম ধরে ডাকেন না আর—
বছর দেখি পেরিয়ে গেল!

মায়ের চোখের দিকে তাকালেই আব্বার ছবি ভেসে ওঠে,
মায়ের মুখের কথায় আব্বার ঝকমকে স্মৃতি বেজে ওঠে।

আব্বা আমার না থেকেও—থাকার চেয়ে বেশি আছেন।

****

আব্বাকে আমি ও অন্যরা

আব্বাকে আমি বাদে সবাই খুব ভয় পেত।
গ্রামের উত্তর মাথার খেজুর গাছ থেকে—
দক্ষিণ মাথার আকাশ ছুঁই ছুঁই তালগাছও।
তাঁর মুখ গম্ভীর হলে, কেঁপে উঠতো বন—
সুপারির থোকা আর প্যাঁচাদের চোখ।


আব্বাকে আমিসহ সবাই খুব ভরসা করত।
গ্রামের উত্তর মাথার ঘাটে বাঁধা নৌকা থেকে—
দক্ষিণ মাথার পুকুরে অপেক্ষারত মাছরাঙাও।
তাঁর কাছে ছুটে আসতো সবাই—বাবাহারা শিশু,
নিরূপায় কৃষক আর রোগে ভোগা কাশেমের মা।

আব্বাকে আমিসহ সবাই খুব মান্য করত।
গ্রামের উত্তর মাথার মসজিদের দুয়ার থেকে—
দক্ষিণ মাথার বড় দোকানের এক কাপ চা।
তাঁর সামনে এসে সব নিশ্চুপ, সন্ধ্যার কাক—
মাদ্রাসার ছাত্র আর জমি নিয়ে ঝগড়া করা ভাই।

****

 


আব্বার বয়স

পিতা-পুত্রের বয়সের অঙ্ক মেলানোর আগেই—
আব্বা আমার মারা গেলেন!


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর