শনিবার, ৭ই মার্চ ২০২৬, ২৩শে ফাল্গুন ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল dailyvobnews@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • চুক্তি বাতিল ৯ সচিবের, ওএসডি ৩ — প্রশাসনে পুনর্বিন্যাসের বার্তা
  • অন্তর্বর্তী সরকারকে কাঠগড়ায় রাষ্ট্রপতি, ‘প্রাসাদবন্দি’ থাকার দাবি
  • বেইজিং-ঢাকা সম্পর্কে নতুন গতি, চীনের প্রেসিডেন্টের আমন্ত্রণ প্রধানমন্ত্রীর জন্য
  • মহিলা নেত্রীদের নাম আলোচনায়, ভৌগোলিক ও রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্ব বিবেচনা
  • ভোরের পোস্ট, দিনে ভাইরাল: শফিকুর রহমানের স্ট্যাটাসে সরগরম সোশ্যাল মিডিয়া
  • একুশের আবহে রাষ্ট্রীয় সম্মাননা ও বইমেলার উদ্বোধন ২৬ ফেব্রুয়ারি
  • স্পিকার-ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন এবং শোকপ্রস্তাব নিয়ে শুরু হচ্ছে নতুন সংসদ কার্যক্রম
  • শূরা বৈঠকে জামায়াতের নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি, নির্বাহী পরিষদে ২১ সদস্য
  • বিদায়ী উপদেষ্টাদের অধিকাংশই কূটনৈতিক পাসপোর্ট ফেরত দিয়েছেন
  • ঈদের পর ধারাবাহিকভাবে স্থানীয় সরকার নির্বাচন: ইসি

জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে বিক্ষোভ, পুলিশের অবস্থান

স্টাফ রিপোর্টার

প্রকাশিত:
১৭ ডিসেম্বর ২০২৩, ১৫:১৭

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ দিন  রোববার (১৭ ডিসেম্বর) সকাল থেকেই ঢাকার বনানীতে জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে বিক্ষোভ করছেন দলটির নেতা-কর্মীরা।

বিক্ষুব্ধ নেতা-কর্মীদের একটি অংশ নির্বাচন বর্জনের দাবি জানিয়ে মিছিল করেছেন। তাঁরা ‘দালালি না রাজপথ’, ‘নির্বাচনে অংশগ্রহণ নয়, বর্জন বর্জন’ স্লোগান দিচ্ছেন।

এদিকে পুলিশ সদস্যরা বনানীর কার্যালয়ের ভেতরে ও বাইরে অবস্থান নিয়েছেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, বেলা সোয়া ১১টার দিকে কার্যালয়ে পৌঁছান জাতীয় পার্টির (জাপা) চেয়ারম্যান জি এম কাদের।


তার আগে ও পরে কার্যালয়ে আসেন দলের মহাসচিব মুজিবুল হক, সাবেক মহাসচিব এ বি এম রুহুল আমিন হাওলাদার, কো-চেয়ারম্যান সৈয়দ আবু হোসেন বাবলা, সালমা ইসলাম ও রংপুর সিটি করপোরেশনের মেয়র মোস্তাফিজার রহমান।

নেতারা কার্যালয়ে পৌঁছার সঙ্গে সঙ্গেই উপস্থিত নেতা-কর্মীরা স্লোগান দেন।
একাধিক প্রত্যক্ষদর্শী জানিয়েছেন, জি এম কাদের কার্যালয়ে ঢোকার পরপরই গণমাধ্যমকর্মীরা তাঁর সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করেন। এ সময় জাপার মহাসচিব মুজিবুল হক তাঁকে একটু দাঁড়িয়ে কথা বলার জন্য অনুরোধ করেন। এ সময় জি এম কাদের বলেন, ‘ভিক্ষার সিট আমি নেব না।’ এ কথা বলে তিনি তাঁর কক্ষে চলে যান।

ওই সূত্র জানিয়েছে, জাতীয় পার্টির নেতারা কার্যালয়ে যাওয়ার পর বনানী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা সেখানে পৌঁছান। তাঁরা কার্যালয়ের ভেতরে গিয়ে কেউ চেয়ারম্যান এবং কেউ মহাসচিবের কক্ষের ভেতরে, কেউ সামনে অবস্থান নেন।

বেলা একটার দিকে বনানী ১৭ নম্বর সড়কে গিয়ে দেখা যায়, চেয়ারম্যানের কার্যালয়ে সামনে এবং দুই পাশে বিপুলসংখ্যক পুলিশ সদস্য অবস্থান নিয়েছেন। সাদাপোশাকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদেরও তৎপরতা দেখা গেছে। নেতা-কর্মীরা তখনো থেমে থেমে বিক্ষোভ করছিলেন।

বনানী কার্যালয়ে চেয়ারম্যানের কক্ষ ভেতর থেকে আটকানো। সেখানে কোনো নেতা-কর্মীকে প্রবেশ করতে দেওয়া হচ্ছে না।

বিক্ষোভকারীদের একজন মৌলভীবাজার-১ আসনের প্রার্থী আহমেদ রিয়াজ  বলেন, ‘২৬ জনকে এমপি (সংসদ সদস্য) বানানোর জন্য জাতীয় পার্টি প্রতিষ্ঠা হয়নি। যদি ২৬ জনই সমঝোতার নির্বাচনে অংশ নেন, আমরা বাকি সবাই নির্বাচন থেকে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করব।’

এদিকে জাতীয় পার্টির মহাসচিব মুজিবুল হক বেলা একটার পর দলের চেয়ারম্যানের বনানীর কার্যালয়ে সংক্ষিপ্ত ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের বলেন, জাতীয় পার্টি নির্বাচনে থাকবে কি থাকবে না, তা রোববার (১৭ ডিসেম্বর)  বিকেলে জানাবে দলটি।

মুজিবুল হক বলেন, জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জি এম কাদের দলের জ্যেষ্ঠ নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করছেন। এখন পর্যন্ত চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর