শনিবার, ৭ই মার্চ ২০২৬, ২৩শে ফাল্গুন ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল dailyvobnews@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • চুক্তি বাতিল ৯ সচিবের, ওএসডি ৩ — প্রশাসনে পুনর্বিন্যাসের বার্তা
  • অন্তর্বর্তী সরকারকে কাঠগড়ায় রাষ্ট্রপতি, ‘প্রাসাদবন্দি’ থাকার দাবি
  • বেইজিং-ঢাকা সম্পর্কে নতুন গতি, চীনের প্রেসিডেন্টের আমন্ত্রণ প্রধানমন্ত্রীর জন্য
  • মহিলা নেত্রীদের নাম আলোচনায়, ভৌগোলিক ও রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্ব বিবেচনা
  • ভোরের পোস্ট, দিনে ভাইরাল: শফিকুর রহমানের স্ট্যাটাসে সরগরম সোশ্যাল মিডিয়া
  • একুশের আবহে রাষ্ট্রীয় সম্মাননা ও বইমেলার উদ্বোধন ২৬ ফেব্রুয়ারি
  • স্পিকার-ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন এবং শোকপ্রস্তাব নিয়ে শুরু হচ্ছে নতুন সংসদ কার্যক্রম
  • শূরা বৈঠকে জামায়াতের নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি, নির্বাহী পরিষদে ২১ সদস্য
  • বিদায়ী উপদেষ্টাদের অধিকাংশই কূটনৈতিক পাসপোর্ট ফেরত দিয়েছেন
  • ঈদের পর ধারাবাহিকভাবে স্থানীয় সরকার নির্বাচন: ইসি

‘লজ্জায় স্ত্রীর মাথা হেঁট হয়ে গিয়েছিল, ও গ্রামে চলে যেতে চেয়েছিল’

বিনোদন ডেস্ক

প্রকাশিত:
১১ ডিসেম্বর ২০২৩, ১৪:৪৮

শাবানা রাজাকে বিয়ে করে তাঁর সঙ্গে সুখে সংসার করছেন অভিনেতা মনোজ বাজপেয়ী। শাবানা অভিনয় ছাড়লেও, স্ত্রীই তাঁর অভিনয়ের সবচেয়ে বড় সমালোচক, এমনটাই মনে করেন অভিনেতা মনোজ বাজপেয়ী। সম্প্রতি দ্য লালানটপকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে মনোজ স্মৃতির সরণি বেয়ে অতীতে ফিরে গিয়ে জানিয়েছেন, শাবানা রাজা কীভাবে তাঁর সেরা ছবি, খারাপ ছবি নিয়ে প্রতিক্রিয়া দেন।


সাক্ষাৎকারে মনোজ জানান, তাঁর স্ত্রী শাবানার সঙ্গে প্রায়দিনই তর্ক-বিতর্ক লেগে থাকে। মনোজের কথায়, ‘শাবানার অভিযোগ, আমি ওর সঙ্গে কোনো দিনই ছবির চিত্রনাট্য শেয়ার করি না। আসলে আমি শাবানাকে চমকে দিতেই পছন্দ করি।


চমকে দেওয়ার পর ওর প্রতিক্রিয়ার জন্য অপেক্ষা করে থাকি। আমার কাছে শাবানার প্রশংসা ও সমালোচনা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। তাই ওর সঙ্গে চিত্রনাট্য শেয়ার করি না। এটা নিয়ে ওর অনেক অভিযোগ। এ নিয়ে আমাদের মারামারিও হয়েছে।’


নির্মাতা হংসল মেহতার সম্পাদনা কক্ষে স্ত্রী শাবানা রাজাকে তাঁর অভিনীত ‘আলিগড়’ ছবিটি দেখানোর ঘটনাও জানিয়েছেন অভিনেতা।


মনোজ জানান, যখন শাবানা ছবি দেখছিলেন, তখন তিনি আর পরিচালক কথা বলছিলেন। ঘটনার বিস্তারিত জানিয়ে অভিনেতা বলেন, ‘আমি যখন ভেতরে গিয়েছিলাম, তখন ছবিটি সবে শেষ হয়েছে।

আমি প্রশ্ন করি, “এটা কি শেষ হয়ে গিয়েছে?” শাবানা আমার দিকে তাকালও না, সোজা বেরিয়ে গেল। চারতলা থেকে নেমে একটা অটো নিয়ে বাড়ি চলে গেল। বাড়িতে গিয়ে ও অনেক কেঁদেছে। তাই আমি ওর এ ধরনের প্রতিক্রিয়ার জন্য অপেক্ষা করে থাকি।’
এখানেই শেষ নয়, ‘এটা কী রকম বাজে কাজ’, মনোজের ছবি দেখে এমন প্রতিক্রিয়াও দিয়েছেন শাবানা। ছবির নাম না উল্লেখ করে মনোজ বলেন, তাঁর স্ত্রী সেদিন খুব বিরক্ত হয়েছিলেন। শাবানা তাঁকে ডেকে বলেছিলেন, ‘আমি তোমার কাছে অনেক কিছু আশা করি। নিজের জীবনে এমন কোনো কাজ করবে না, যেটা থেকে আমাকে লজ্জা পেতে হয়।’


মনোজ আরও বলেন, ‘সেবার বিরক্ত শাবানা বলেছিল, “আমরা দিল্লি যেতে পারি বা আমরা তোমার গ্রামে ফিরে যেতে পারি, সেখানে গিয়ে থাকতে পারি। কিন্তু আমি এ ধরনের বিব্রতকর পরিস্থিতি চাই না।” আসলে লজ্জায় আমার স্ত্রীর মাথা হেঁট হয়ে গিয়েছিল, ও গ্রামে চলে যেতে চেয়েছিল।’

 


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর