বৃহঃস্পতিবার, ২৩শে এপ্রিল ২০২৬, ১০ই বৈশাখ ১৪৩৩ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল dailyvobnews@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • তেলের নতুন দাম আজ: এপ্রিলে সংকটের ভয় নেই, ডিজেলের বড় মজুদের সুখবর দিল মন্ত্রণালয়
  • গুম হওয়া ব্যক্তিদের ‘জুলাইযোদ্ধা’ স্বীকৃতির দাবি: সংসদে প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করলেন তাহসিনা রুশদীর লুনা
  • তেলের বাজারে অস্থিরতা: সাশ্রয় করতে 'হোম অফিস' ও স্কুল-কলেজে অনলাইন ক্লাসের কথা ভাবছে সরকার
  • সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলে অভিযোগের পরই সরে দাঁড়ালেন বিচারপতি রেজাউল হাসান
  • ‘শুভঙ্করের ফাঁকি’ আর নয়, নতুন পে স্কেলের দাবিতে উত্তাল হচ্ছে সরকারি কর্মচারীরা
  • এবার বেতন পাবেন খেলোয়াড়রা: ১২৯ ক্রীড়াবিদকে কার্ড দিলেন প্রধানমন্ত্রী, লক্ষ্য ৫০০ জনের কর্মসংস্থান
  • এক নজরে সংসদীয় বিশেষ কমিটির বৈঠক
  • তেলের দাম বাড়বে না, তবে পাচার করলেই কঠোর ব্যবস্থা
  • সংসদ অধিবেশনে নাহিদ ইসলামের হুঙ্কার: জুলাই সনদের ভিত্তিতেই এ সংসদ, গণভোটের রায় অমান্য করা যাবে না
  • ফুরিয়ে আসছে পেট্রোল, বাড়ছে অস্থিরতা: মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধ নিয়ে অস্ট্রেলিয়ার বিশেষজ্ঞের ভয়াবহ পূর্বাভাস

নাটোরের ‘কালা তুফান’, দাম ২৫ লাখ

নাটোর প্রতিনিধি

প্রকাশিত:
১৭ জুন ২০২৩, ১২:০৫

নাটোরের আমিরুল ইসলাম ‘কালা তুফান’ নামের ষাঁড়টি ২৫ লাখ টাকায় বিক্রির আশা করছেন

‘কালা তুফান’ ৪০ মণ ওজনের বিশাল আকৃতির এক ষাঁড়ের নাম। কুচকুচে কালো ষাঁড়টির মালিক নাটোর সদর উপজেলার হয়বতপুর গ্রামের আমিরুল ইসলাম। চার বছর আগে ছয় মাস বয়সের ষাঁড়টি স্থানীয় এক খামারির কাছ থেকে কিনেছিলেন ১ লাখ ৮৬ হাজার টাকায়। এবার তিনি ষাঁড়টি ২৫ লাখ টাকায় বিক্রির আশা করছেন। ষাঁড়টি একনজর দেখতে কৌতূহলী লোকজন প্রতিদিন ভিড় করছেন তাঁর বাড়িতে।

 

গতকাল শুক্রবার বিকেলে আমিরুলের বাড়িতে গিয়ে দেখা যায়, আধা পাকা একটি ঘরে ষাঁড়টি রাখা। বিশাল আকৃতির ষাঁড়টির পিঠে বসে আছে দুটি শিশু। পেটের নিচ দিয়ে চলাফেরা করছে আরেকটি শিশু। পাশে দাঁড়িয়ে আমিরুল ইসলাম ষাঁড়টির গা নেড়ে দিচ্ছেন।

 

 

আমিরুল জানান, হলিস্টিন ফ্রিজিয়ান জাতের গরুটির ওজন কেনার সময় ছিল ছয় মণ। পশুচিকিৎসকের পরামর্শ অনুসারে শুরু থেকেই তিনি ষাঁড়টিকে চিড়া, গুড় ও অ্যাংকরের ভুসি খাওয়াতে শুরু করেন। বয়স ও ওজন হিসাব করে এটিকে খাওয়াতে থাকেন। বর্তমানে ষাঁড়টিকে প্রতিদিন আট কেজি ভুসি, দুই কেজি চিড়া ও দুই কেজি গুড় খাওয়াতে হয়।

 

ষাঁড়টি লম্বায় সাড়ে নয় ফুট এবং উচ্চতায় সাড়ে সাত ফুটের মতো। কালা তুফানের পেছনে আমিরুলের প্রতিদিন অন্তত ১ হাজার ৩০০ টাকা খরচ। ষাঁড়টি এবার বিক্রি করতে না পারলে তাঁর পক্ষে ষাঁড়টি পালন করা কঠিন হয়ে পড়বে বলে জানান তিনি।

 

 

তবে ষাঁড়টি বিক্রি না হওয়ায় খুশি পরিবারের শিশুরা। আমিরুলের বড় ভাইয়ের মেয়ে নিশাত আরা (৬) বলে, তাদের সঙ্গে ষাঁড়টির বন্ধুত্ব হয়ে গেছে। সে তাদের দেখলে তেড়ে আসে না। বরং সে শিশুদের আদর পছন্দ করে। ষাড়টি বিক্রি করা হলে তারা খুব কষ্ট পাবে।

 

ষাঁড়টির নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা করেন স্থানীয় পশুচিকিৎসক হিমেল রহমান। তিনি বলেন, তাঁর হাতেই এই ষাঁড়ের কৃত্রিম প্রজনন হয়েছিল। শৈশব থেকে তিনি ষাঁড়টি লালনপালনে পরামর্শ দিয়ে আসছেন। বর্তমানে ষাঁড়টির ওজন ১ হাজার ৬০০ কেজি। এ–জাতীয় ষাঁড় সর্বোচ্চ ১২ বছর পর্যন্ত বেঁচে থাকে। এখন পর্যন্ত ষাঁড়টি সুস্থ আছে বলে তিনি জানান।

 

কালা তুফান সম্পর্কে জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা বলেন, ষাঁড়টি সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক পরিবেশে বড় হচ্ছে। এটিকে যে খাবার খেতে দেওয়া হয়, তা স্বাভাবিক খাবার। তাই এটির শারীরিক গঠন সুন্দর হয়েছে। যাঁরা শখ করে কোরবানি দিতে চান, তাঁরা গরুটি কিনতে পারেন।

 


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর