বৃহঃস্পতিবার, ২৩শে এপ্রিল ২০২৬, ১০ই বৈশাখ ১৪৩৩ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল dailyvobnews@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • তেলের নতুন দাম আজ: এপ্রিলে সংকটের ভয় নেই, ডিজেলের বড় মজুদের সুখবর দিল মন্ত্রণালয়
  • গুম হওয়া ব্যক্তিদের ‘জুলাইযোদ্ধা’ স্বীকৃতির দাবি: সংসদে প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করলেন তাহসিনা রুশদীর লুনা
  • তেলের বাজারে অস্থিরতা: সাশ্রয় করতে 'হোম অফিস' ও স্কুল-কলেজে অনলাইন ক্লাসের কথা ভাবছে সরকার
  • সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলে অভিযোগের পরই সরে দাঁড়ালেন বিচারপতি রেজাউল হাসান
  • ‘শুভঙ্করের ফাঁকি’ আর নয়, নতুন পে স্কেলের দাবিতে উত্তাল হচ্ছে সরকারি কর্মচারীরা
  • এবার বেতন পাবেন খেলোয়াড়রা: ১২৯ ক্রীড়াবিদকে কার্ড দিলেন প্রধানমন্ত্রী, লক্ষ্য ৫০০ জনের কর্মসংস্থান
  • এক নজরে সংসদীয় বিশেষ কমিটির বৈঠক
  • তেলের দাম বাড়বে না, তবে পাচার করলেই কঠোর ব্যবস্থা
  • সংসদ অধিবেশনে নাহিদ ইসলামের হুঙ্কার: জুলাই সনদের ভিত্তিতেই এ সংসদ, গণভোটের রায় অমান্য করা যাবে না
  • ফুরিয়ে আসছে পেট্রোল, বাড়ছে অস্থিরতা: মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধ নিয়ে অস্ট্রেলিয়ার বিশেষজ্ঞের ভয়াবহ পূর্বাভাস

রোববার দ্বিতীয় দফায় ভিটামিন-এ ক্যাপসুল পাবে ২ কোটি ২০ লাখ শিশু

স্টাফ রিপোর্টার

প্রকাশিত:
১৫ জুন ২০২৩, ১৪:২১

ভিটামিন-এ ক্যাম্পেইনের দ্বিতীয় দফায় আগামী রোববার (১৮ জুন) সারাদেশের ছয় থেকে ৫৯ মাস বয়সী ২ কোটি ২০ লাখ শিশুকে ‘ভিটামিন-এ প্লাস’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে।

রাজধানীর বনানীর শেরাটন হোটেলে বৃহস্পতিবার এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী জাহিদ মালিক।

মন্ত্রী বলেন, এই কর্মসূচির আওতায় ৬ থেকে ১১ মাস বয়সী ২৫ লাখ শিশুকে নীল রঙের ক্যাপুসল আর ১২ থেকে ৫৯ মাস বয়সী প্রায় ১ কোটি ৯৫ লাখ শিশুকে লাল রঙের ক্যাপুসল খাওয়ানো হবে।


সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, দিনব্যাপী কর্মসূচিতে দেশের সব সরকারি স্বাস্থ্যকেন্দ্র এবং ভ্রাম্যমাণ স্বাস্থ্যকেন্দ্রে এ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে। পাহাড়ি ও দুর্গম এলাকায় এ কর্মসূচি চলবে চারদিন।

রোববার দ্বিতীয় দফায় ভিটামিন-এ ক্যাপসুল পাবে ২ কোটি ২০ লাখ শিশু
ভিটামিন-এ ক্যাপসুল খাওয়াতে শিশুদের ভরা পেটে কেন্দ্রে আনতে হবে। ছয় মাসের কম বয়সী এবং পাঁচ বছরের বেশি বয়সী এবং অসুস্থ শিশুদের ভিটামিন-এ ক্যাপসুল খাওয়ানো যাবে না।

জাহিদ মালেক বলেন, ভিটামিন-এ ক্যাপসুল খাওয়ানোর মাধ্যমে শিশুদের অন্ধত্ব প্রতিরোধসহ বিভিন্ন রোগ থেকে বাঁচানো সম্ভব।


“ভিটামিন এ দেহের স্বাভাবিক বৃদ্ধি নিশ্চিত করে। সব ধরনের শিশু মৃত্যু হার ২৪ ভাগ কমায়, হাম, ডায়রিয়া এবং নিউমোনিয়াজনিত মৃত্যুহার উল্লেখযোগ্য হারে কমে আসে। কাল থেকে শুরু হওয়া ভিটামিন-এ ক্যাপসুল খাওয়ানোর কর্মসূচি থেকে একটি শিশুও যেন বাদ না পড়ে সবাইকে তা নিশ্চিত করতে হবে।”

সারা দেশের ১ লাখ ২০ হাজার কেন্দ্রে ২ লাখ ৪০ হাজার স্বাস্থ্যসেবী এবং ৪০ হাজার স্বাস্থ্যকর্মী ভিটামিন ‘এ’ প্লাস কর্মসূচিতে শিশুদের ক্যাপসুল খাওয়ানোর কাজ করবে।

প্রতিবছর ফেব্রুয়ারি ও জুনে- দুই ধাপে শিশুদের ভিটামিন-এ প্লাস ক্যাপসুল খাওয়ানো হয়।

এবছর প্রথম দফায় গত ২০ ফেব্রুয়ারি সারাদেশে একই সংখ্যক শিশুকে এই ক্যাপসুল খাওয়ানো হয়েছিল।


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর